ADs by Techtunes ADs
ADs by Techtunes ADs

[উবুন্টু টিউটরিয়াল] উবুন্টু কী ও কেনো উবুন্টু ?

আজ উবুন্টু টিউটরিয়াল এর শুরু করলাম । উবুন্টু নিয়ে টিউটরিয়াল লিখবো আর যদি আমরা ভালোভাবে নাই জানি উবুন্টু কী তাহলে তো খুব লজ্জার কথা 🙂
উবুন্টু নিয়ে প্রথম কথাই যেটা বলা হয় সেটা হল এটি একটি লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিসটেম । তাইলে লিনাক্স আর উবুন্টু কী এক জিনিস ? এর উত্তর হচ্ছেঃ না ! লিনাক্স হচ্ছে একটা কার্নেলের নাম । এবার হয়ত জিজ্ঞেস করবেন এই কার্নেল টা আবার কে ?

ADs by Techtunes ADs

কার্নেলঃ

কার্নেল হল কোন অপারেটিং সিসটেমের সেই অবিচ্ছেদ্য প্রধান অংশ যা সিসটেমের সকল হার্ডওয়্যারের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে , কোন এপ্লিকেশন চালানোর জন্য একটা যায়গা তৈরি করে , ফাইল ব্যবস্থাপনার কাজ করে , ড্রাইভার ম্যানেজ করে । মোট কথায় বলতে গেলে কার্নেল হল অপারেটিং সিসটেমের প্রাণ । এই কার্নেল ব্যবহার করে সাথে আরো নানা দরকারী এপ্লিকেশন যোগ করে মোট যে বান্ডল প্যাকেজটা দেয়া হয় সেটা হল অপারেটিং সিসটেম । তার মানেঃ

অপারেটিং সিসটেম = কার্নেল + দরকারী সফটওয়্যার + অন্যান্য

সুতরাং বুঝা গেলো যিনি লিনাক্স কার্নেল ভিত্তিক অপারেটিং সিসটেম ব্যবহার করছেন তিনিই তিনিই লিনাক্স ইউজার । যিনি ৪ গিগা সাইজের ফেডোরা ব্যবহার করেন তিনিও লিনাক্স ইউজার আবার যিনি মাত্র ৫০ মেগা সাইজের ড্যাম স্মল লিনাক্স ব্যবহার করেন তিনিও লিনাক্স ইউজার । তাহলে প্রশ্ন আসছে উবুন্টু নিয়ে এতো মাতামাতি কেনো ?

উবুন্টুঃ

উবুন্টু বা লিনাক্স নিয়ে মাতামাতি কিন্তু এই কিছু দিনের ব্যাপার । তার আগে কী লিনাক্স ছিল না ? ছিল! অবশ্যই ছিল । কিন্তু তা ব্যবহার করত গীক , নার্ড রা । ব্যবহার হত সুপার কম্পিউটারে , সার্ভারে কিংবা ডেডিকেটেড সিসটেমে । ব্যবহারকারীকে মোটামুটি কম্পিউটারের জাদুকর হতে হত - তার কারণ তখন পর্যন্ত কেউ সাধারণ ব্যবহারকারীর কথা মাথায় রেখে ছড়িয়ে দেবার চেষ্টা করেনি ।
অবশেষে এলেন সেই বরপুত্র নাম "মার্ক শাটলওয়ার্থ" - লিনাক্সকে গন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেবার জন্য ক্যাননিক্যাল ফাউন্ডেশন তৈরি করলেন । সূচনা করলেন নতুন এক ডিস্ট্রো নাম - উবুন্টু । উবুন্টু একটা আফ্রিকান জুলু শব্দ যার অর্থ - মানুষ মানুষের জন্য ।
আগে যেখানে নানান রকম সফটওয়্যার দেয়া থাকত একটা ইন্সটলেশনের সাথে সেখানে শুধু ডেক্সটপ ব্যবহারকারীদের দরকার মাথায় রেখে ১ সিডি আনা হল ইন্সটলেশন । চমতকার গ্রাফিক্যাল ডিজাইন আর ব্যবহারবান্ধবতার কারণে উবুন্টু এখন একটা অন্যতম জনপ্রিয় ডিস্ট্রিবিউশন । অনেকেই ভাবেন লিনাক্স মানেই কমান্ড লাইন - কিন্তু দুনিয়া সেখানে আর নাই । এখনকার ডিস্ট্রিবিউশনগুলো ব্যবহারে কমান্ডলাইনে হাত দিতে হয়না বললেই চলে , উবুন্টুতে তো হয়ই না ।

লিনাক্স মিন্টঃ

উবুন্টুর প্রথম ব্যবহারকারীদের একটা অভিযোগ থাকে মিডিয়া ফাইল চালানো নিয়ে । কারণ মিডিয়া কোডেকগুলো প্রোপাইরেটরি , কোন ডিস্ট্রিবিউটর চাইলেই তা অন্যদের কাছে বিনামূল্যে বিতরণ করতে পারেন না । কিন্তু ব্যবহারকারী তা ফ্রীতে সংগ্রহ করতে পারেন । যেহেতু উবুন্টু সিডিতে শিপ করা হয় তাই এর সাথে প্রোপাইরটরি মিডিয়া কোডেক গুলো দেয়া হয় না । এর জন্য আছে লিনাক্স মিন্ট 🙂 লিনাক্স মিন্ট ঠিক উবুন্টুই । তবে উবুন্টুকে ঘষেমেজে তার সাথে কোডেক , উইন্ডোসের স্টার্ট মেন্যুর মত দেখতে মিন্ট মেন্যু যুক্ত করে বানানো হয়েছে একে । কেউ যদি গান চলেনা বলে (!) উবুন্টু ইন্সটল না করতে চান তবে একবার লিনাক্স মিন্ট ব্যবহার করে দেখুন । "চোর" অপবাদ যাতে কেউ না দিতে পারে - কেউ যেনো বলতে না পারে "তুমি চোরাই মাল ব্যবহার কর" । কী দরকার এমন চমতকার সব জিনিস থাকতে চোরাইমাল ব্যবহার করার ?

উবুন্টু ডাউনলোড করা যাবে এখান থেকে ।
ফ্রী উবুন্টু সিডির জন্য অর্ডার করতে পারেন এখান থেকে ।
লিনাক্স মিন্ট ডাউনলোড করা যাবে এখান থেকে ।

তবে নবীন ব্যবহারকারীদের উদ্দেশ্যে আমার পরামর্শ থাকবে লিনাক্স মিন্ট ব্যবহার করার । এতে আপনাকে আর কষ্ট করে কোডেক গুলো সংগ্রহ করতে হবে না । আর উবুন্টুর প্রত্যেকটা টিউটরিয়াল আপনি মিন্টে প্রয়োগ করতে পারবেন ।

প্রাক-কথনঃ

আমি সাধারণত উবুন্টু নিয়েই লিখি । মাঝে মাঝে অপেন-সোর্স / ফ্রী সফটওয়্যার নিয়ে । টেকটিউনসে এসে আমি মোটামুটি হতাশ হয়েছিলাম । যেখানে সামহোয়্যারের মত একটা পাবলিক জেনারেল পারপাস ব্লগে উবুন্টু নিয়ে কত কথা-বার্তা হয় , সেখানে টেকটিউনসের মত একটা প্রযুক্তি ব্লগে উবুন্টু বা লিনাক্স নিয়ে কথা-বার্তা একদম নাই বললেই চলে । যেখানে একটা তৃতীয় বিশ্বের দেশ হিসাবে আমাদের অপেন-সোর্স / ফ্রী সফটওয়্যার নিয়ে কথা বলার কথা সেখানে টেকটিউনসে বেশিরভাগসময় ক্র্যাক করা , পাইরেটেড সফটওয়্যার নিয়ে আলোচনা হয় , শেয়ারিং হয় 😐
সেই চিন্তা থেকেই একটা সিরিজ শুরু করলাম - এখানে একদম ধাপে ধাপে চেষ্টা করব উবুন্ট/লিনাক্স মিন্ট নিয়ে আলোচনা করতে ।
সবাই ভালো থাকবেন ।। লিনাক্সের জয় হোক

ADs by Techtunes ADs

ADs by Techtunes ADs
Level 0

আমি জামাল উদ্দিন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সৌশল নেটওয়ার্ক - টেকটিউনস এ আমি 10 বছর 9 মাস যাবৎ যুক্ত আছি। টেকটিউনস আমি এ পর্যন্ত 9 টি টিউন ও 195 টি টিউমেন্ট করেছি। টেকটিউনসে আমার 0 ফলোয়ার আছে এবং আমি টেকটিউনসে 0 টিউনারকে ফলো করি।


টিউনস


আরও টিউনস


টিউনারের আরও টিউনস


টিউমেন্টস

ভাল লাগল আপনার টিউনটি। আপনি অবশ্যই উবুন্টু নিয়ে লিখবেন। আমরা যারা উবুন্টু ব্যবহার করতে চাই তাদের জন্য ভাল হবে আপনি যদি লেখেন। কি ভাবে ইনস্টল করব, ব্যবহার ইত্যাদি লিখবেন ধাপে ধাপে এটা আশা করি। আপনাকে ধন্যবাদ।

    এই সিরিজটা আসলে সেই জন্যই শুরু করেছি । ধারাবাহিক ভাবে সবকিছু লিখবো বলেই ঠিক করেছি । আশা করি আপনাদের পাশে পাবো ।
    ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।

    অনেকেই জানেন না, জামাল ভাই বস। উনি খুব ভালো লেখেন আর উনার তইরি করা অনেক সৃষ্টিশীল ব্লগ আমাদের লিনাক্স/উবুন্টু সম্পর্কে অনেক কিছুই জানাচ্ছে। ধন্যবাদ জামাল।

    @দিহান ( নাহিদ ) টেকি জিনিস নিয়ে লিখতে সৃষ্টিশীল হওয়া লাগে নারে ভাই 🙂
    ধন্যবাদ তোমাকেও ।

    তোমাদের ভার্সিটি এই দিক দিয়ে আসলেই একটা বস কাজ করেছে – সাইবার ক্যাফের সব পিসি উবুন্টুতে ট্রান্সফার করে ।

ভাই যতোদুর মনে পড়ে আপনিই একদিন টেকটিউনস্- এ লিখেছিলেন, “ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে উবুন্টুর মতো মজার জিনিষ আর হয় না।”- আপনার কথাতেই অনুপ্রাণিত হয়ে আমি উবুন্টুর ফ্রি সিডি ডাকযোগে সংগ্রহ করে এখন উইন্ডোজের সাইড বাই সাইড উবুন্টু ব্যবহার করছি। উবুন্টুতে মূল সমস্যা যা হচ্ছে তা হলো- মোবাইল ফোন মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে পারছি না। কানেক্ট করার পর কিছুক্ষণ ভালো চললেও অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে কোন পেজ লোড হচ্ছে না। রিকানেক্ট করলে ঠিক হচ্ছে তবে তা মাত্র কিছুক্ষণের জন্য। মোবাইল ফোনের ব্লু-টুথ দিয়ে ইন্টারনেট শেয়ারিং করার চেষ্টা করেছি। সফল হইনি। বুঝতে পারছি না সমস্যাটা কোথায় ? উইন্ডোজে কিন্তু এরকম কোন সমস্যা নেই। সন্ধ্যা থেকে রাত দুটো পর্যন্ত একটানা ঐ মোবাইল ফোন মডেম দিয়েই ইন্টারনেট ব্যবহার করছি। আমার মোবাইল ফোন : উইন্ডোজ ৬, এইচটিসি- এস৬২০।
আমি জানি আপনি একজন এডভান্স ইউজার। উবুন্টুতে ইন্টারনেট ব্যবহারের এ সমস্যার কোন সমাধান থাকলে দয়া করে জানাবেন।

    কথাটা আমিউ বলেছিলাম কিনা মনে নেই তবে উবুন্টু ব্যবহার করছেন জেনে খুশী হলাম ।

    আপনার সমস্যাটা ঠিক কি কারণে হয় তা বলতে পারছি না , তবে এর সমাধান হচ্ছে একটা ফায়ারওয়াল ইন্সটল করে নেয়া ।
    আপনি নেট কানেক্ট করে Software Center বা Synaptic Package Manager থেকে Firestarter ফায়ারওয়াল টা ইন্সটল করে নিন । নেট কানেক্ট থাকা অবস্থায় ফায়ারস্টার্টার চালু করে ppp0 এর জন্য কনফিগার করে নিন । আশা করি আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ।
    ভালো থাকবেন 🙂

    দুঃখিত, জামাল ভাই, সার্চ দিয়ে জানলাম, কথাটি আপনি নয় ‘বাবু’ বলেছিলেন, কমেন্টে।

    “Babu says:
    ১ মে, ২০১০ at 9:17 পুর্বাহ্ন

    ইন্টারনেট কানেক্সন থাকলে উবুন্টুর মতো মজার জিনিস আর নেই।”

    আমার ও তাই মনে হয়েছিল 🙂 সমস্যা নাই যেই বলুক অতি সত্য কথা ।

    আপনার সমস্যার সমাধান হল কি না জানাবেন 🙂

    জামাল ভাই, আপনার কথামতো ফায়ারষ্টার্টার ইনষ্টল করেছি। কিন্তু কনফিগার করে তা চালু করতে পারছি না। ফেইলড্ দেখাচ্ছে। প্লিজ, আর একটু যদি সময় দিতেন!

    আচ্ছা একটা কথা বলুন তো , টারমিনালে sudo firestarter দিলে কী ফায়ারস্টার্টার ভালো মত চলে ?
    তাইলে আপনাকে একটু কাজ করতে হবে –

    Application এ রাইট ক্লিক করে Edit Menu তে যান । বাম দিকের প্যান থেকে Internet সিলেক্ট করে ডান দিক হতে Firestarter সিলেক্ট করুন । Properties এ ক্লিক করুন । একটা মেন্যু আসবে , Command এর যায়গায় যা পাবেন মুছে su-to-root -X -c /usr/sbin/firestarter এটা বসিয়ে দিন , Close দিয়ে বেরিয়ে আসুন । আশা করি আর সমস্যা হবে না ।

    আরেকটা কথা , ppp0 এর জন্য কনফিগার করেছিলেন তো ?

জামাল উদ্দিন ভাই ,আপুনি চালিয়ে যান।আমরা অবশ্যই ধারাবাহিক ভাবে আপনার থেকে টিউন আশা করি।আজ়কের টিউন এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য আপনাকে অসংখ্য
ধন্যবাদ।

হ্যাটস অফ টু মার্ক শাটলওয়ার্থ।
এই সিরিজের নিয়মিত পাঠক হলাম।
কমপ্লিট টিউটোরিয়াল চাই কিন্তু।

অফটপিকঃ ওয়ার্ডপ্রেসে লিখ না কেন? বেশ কয়েকদিন কোন পোস্ট দেখিনা। নাকি অন্য কোথাও লিখছো?

    চেষ্টা করব রনি ভাই কমপ্লিট টিউটরিয়াল দিতে 🙂

    ওয়ার্ডপ্রেসে লিখা ছাড়ি নাই । এতো দিন তো পিসিই ছিল না , হলে পিসি নেই নাই তাই অনলাইনেও একদম ছিলাম না । এখন বাসায় – ওয়ার্ডপ্রেসে লিখছি 🙂

ভাই আপনার এখানে নিয়মিত পাঠক হলাম, তবে মাঝপথে যেন থেমে না যায়। ধন্যবাদ আপনাকে ।

    ধন্যবাদ , আশা করি মাঝ পথে থামব না । আপনারা সাথেই থাকবেন আশা করি ।

বলতে আপত্তি নেই। আমি এখন প্রায় ৮০% কাজ উবন্টুতেই করি।
শুধু মাত্র এডোবির কিছু সফটের জন্য উইন্ডোজ এ আসি।
আপনার সব লেখাই আমি পরেছি।
আপনার উদোগ প্রশংসনীয় সন্দেহ নেই।

    বলতে দ্বিধা নেই পুরো প্রফেশনালদের জন্য শুধু উবুন্টুতে কাজ করা কঠিন কারণ অনেক প্রোফেশনাল সফটওয়্যারে অভ্যস্থ থাকায় হঠাৎ সফটওয়্যার বদলানো কঠিন ।
    তবে আমি মনে করি ফটোশপের বদলে এখন থেকেই জিম্প এবং ইলাস্ট্রেটরের বদলে ইন্কস্কেপ ব্যবহার করা উচিত । এগুলোও কিন্তু পুরো প্রোফেশনাল সফটওয়্যার । প্রোফেশনালি কাজ করার আগে এসবে অভ্যস্থ হয়ে গেলে আর সমস্যা নাই 🙂
    অনেক ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।

    জি জামাল ভাই,এই দুইটা ভালই।
    কিন্তু আমার কাজ ড্রিময়েভার এবং ফ্লাশ এ বেশি থাকে………। 🙁

    এ দুটোর জন্য অবশ্য একটু আটকাতেই আছে উবুন্টু/লিনাক্স 🙁

    bluefish নামে একটা এডিটর আছে , আমি ব্যবহার করে দেখিনি । আরেকটা আছে kompozer কেডিই এর জন্য । দেখতে পারেন …

আপনার লেখা দ্বারা যদি উবুন্ট ব্যবহার এ উদ্ধুধ করতে পারেন, তাহলে কথা দিলাম এক্সপি ছেড়ে দিব। আর কতকাল পাইরেটেট এক্সপি ইউস করব? অনেকে মনে করে এক্সপি আর ভিস্তা ছাড়া দেশে বুঝি আর কিছুই নেই।

    চেষ্টা করব অবশ্যই , দেখুন শুধু আমার ইচ্ছা থাকলেই তো হবে না । আপনি নিজেও যদি ইচ্ছা রাখেন তবেই না সম্ভব 🙂
    ইচ্ছা করুন আশা করি সবরকম সহায়তা করতে পারব ।
    ভালো থাকবেন 🙂

আরে জামাল ভাই চরম লেখা দিলা… আমার ভালোই লাগল। আমিতো এখন একদম সময় দিতে পারছি না ব্লগিংকে… আমার সাইট ও নির্বিকার হয়ে পড়ে আছে। কিছুই করতে পারছি না। আর আমাদের নতুন উবুন্টু ব্যাবহারকারী নাহিদের কি খবর??

    এইতো নাহিদ ভালোই আছে , উপরে তাকাইয়া দেখো তো নাহিদকে পাও কিনা ? 🙂

    ল্যাপটপ কিনো নাই এখনও ? কিনলে মাঝে মাঝে লিখো না … ?

    তানিম, আপনার সাইটে উবুন্টুর নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য কোন টিপস্ থাকলে আপনার সাইটের লিংক দিন। আমাদের কাজে আসবে।

    তানিমের নামে ক্লিক করুন রিপন ভাই 🙂

আমি ও লিনাক্স ব্যবহার করতাম। তবে PC এর কিছু সমস্যার কারনে এখন কিছু দিন বন্দ রেখেছি। আমি ১০.৫ এডিশন টা এনে রেখেছি। আবার শুরু করব। ধন্যবাদ আপনাকে।

    লিনাক্স ব্যবহার বলতে কিন্তু সব লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনকে বোঝায় , তাই বলার সময় শুধু লিনাক্স না বলে উবুন্টু কিংবা লিনাক্স মিন্ট অথবা ফেডোরা এরকম নাম ধরে বললে ভালো হয় ।
    ১০.৫ মানে বুঝলাম না ! আপনি মনে হয় উবুন্টু 10.04 ল্যুসিড লিংসএর কথা বলছেন তাইনা ?
    ভালো থাকবেন ।

ভাই ডাঊনলোড করার পর যে ফাইল পেয়েছি, এইটা কি iso ফাইল নাকি?সরাসরি সিডি তে বার্ন করব নাকি।

    জ্বী ভাইয়া iso ফাইল । সরাসরি সিডিতে বার্ণ করার আগে একটু পরীক্ষা করে নেয়া ভালো ফাইলটা আসলেই ঠিক আছে কিনা না কোন অংশ করাপ্টেড হয়ে গেছে । আগামীকাল পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করুন – এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখবো ইনশাল্লাহ ।

সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ, শেষপযর্ন্ত কমপ্লিট করবেন আশা করছি । অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে ।

ভাল একটা উদ্যগ নিলেন আপনার সফলতা কামনা করছি,টিউনটির জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

    আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ , আশা করছি আপনাকে সাথে পাবো ।
    ভালো থাকবেন ।

Thank u so much for your nice tune……….
carry on bro……………..

Level 0

দারুন টিউন…..চালিয়ে যান……. লিনাক্সের জয় হোক

Level 0

valo laglo

অসংখ্য ধন্যবাদ…..ভাই